তুরস্কে আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০১:৩৮ পিএম, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ মঙ্গলবার
সংগৃহীত ছবি
তুরস্কের আঙ্কারা প্রদেশের আনাতোলিয়া অঞ্চলে গোলবাসি শহরে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৫ মাত্রার আরও একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৪৩ মিনিটে গোলবাসিতে আঘাত হানা ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ১০ কিলোমিটার গভীরে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এ তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শুরুতে বড় ধরনের ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পের পর থেকে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৪ মাত্রার কমপক্ষে ১০টি আফটারশক হয়েছে।
মূল ভূমিকম্পটি হওয়ার পর সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আফটারশকের সংখ্যা ও তীব্রতা কমে আসছে। তবে, ৫ থেকে ৬ মাত্রার বেশি আফটারশক এখনও ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে মূল ভূমিকম্পে নড়বড়ে স্থাপনাগুলো আরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ ছাড়া উদ্ধারকারী দল এবং জীবিতদের জন্যও হুমকি সৃষ্টি করে।
সোমবার ভোরে তুরস্ক ও সিরিয়ায় ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ৪ হাজার ৩৭২ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং হাজার হাজার আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী কর্মকর্তা ও সংস্থাগুলো।
উভয় দেশেই হাজার হাজার ভবন ধসে পড়েছে এবং সহায়তাকারী সংস্থাগুলো সিরিয়ার বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল নিয়ে উদ্বিগ্ন। কারণ সেখানে আগে থেকেই মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানায়, শতাব্দীর অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্পটি সোমবার তুরস্কের গাজিয়ানতেপ প্রদেশের নুরদাগির ২৩ কিলোমিটার পূর্বে এবং ২৪ দশমিক ১ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে৷
এদিকে, ভূমিকম্পের ঘটনায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরেদোয়ান সাত দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন। এরদোয়ান টুইটারে বলেন, আমাদের সরকারি ও বিদেশি সব দপ্তরে ১২ ফেব্রুয়ারি সূর্যাস্ত পর্যন্ত পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
৮৪ বছরের মধ্যে তুরস্ক এত শক্তিশালী ভূমিকম্প দেখেনি। সবশেষ ১৯৩৯ সালে উত্তর-পুর্ব তুরস্কে এমন ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়েছিল। তখন প্রায় ৩০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এ ছাড়া ১৯৯৯ সালে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ইজমীতে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল।
সূত্র : সিএনএন, টাইমস অব ইন্ডিয়া
- বৃষ্টিভেজা প্রেমের দূত কদম: বর্ষার হৃদয়ে ফোটা এক অনন্ত সৌন্দর্য
- প্রথম বৃষ্টির প্রেমপত্র: আজ পহেলা আষাঢ়
- আজ রাতে জার্মানির মুখোমুখি হচ্ছে ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র কুরাসাও
- ঢাকার বাতাসে সুখবর, দূষণের শীর্ষে বাগদাদ
- নারীদের জন্য ১৫০০ বেডের দুটি হাসপাতাল হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
- কনোলির বিধ্বংসী ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার নাটকীয় জয়
- রেকর্ড গড়া জয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু বাংলাদেশের
- এইচএসসি পরীক্ষায়ও থাকছে সিসিটিভির নজরদারি
- রাজধানী ঢাকা ও আশপাশে আজ বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
- মিরপুর স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করছেন জাইমা রহমান
- বাজেটে সরকার সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে শিক্ষাকে: শিক্ষামন্ত্রী
- অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ শহরে মুক্তি পাচ্ছে ‘বনলতা সেন’
- বিডি-অসি সিরিজ, অস্ট্রেলিয়াকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ
- দেশজুড়ে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১০ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা
- বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলকে রুখে দিল মরক্কো
- রামিসা হত্যা: মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তদের আপিল গ্রহণ হাইকোর্টে
- চট্টগ্রামে মা-মেয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার
- বাজেটে সরকার সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে শিক্ষাকে: শিক্ষামন্ত্রী
- রাজধানী ঢাকা ও আশপাশে আজ বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
- আজ রাতে জার্মানির মুখোমুখি হচ্ছে ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র কুরাসাও
- মিরপুর স্টেডিয়ামে খেলা উপভোগ করছেন জাইমা রহমান
- বিডি-অসি সিরিজ, অস্ট্রেলিয়াকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ
- দেশজুড়ে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১০ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা
- এইচএসসি পরীক্ষায়ও থাকছে সিসিটিভির নজরদারি
- নারীদের জন্য ১৫০০ বেডের দুটি হাসপাতাল হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- ঢাকার বাতাসে সুখবর, দূষণের শীর্ষে বাগদাদ
- অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ শহরে মুক্তি পাচ্ছে ‘বনলতা সেন’
- কনোলির বিধ্বংসী ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার নাটকীয় জয়
- হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু






